সমাবেশে অমিত শাহ প্রশ্ন তোলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণেই যদি কংগ্রেস নির্বাচনে পরাজিত হয়ে থাকে, তাহলে যেসব রাজ্যে দলটি ক্ষমতায় নেই, সেখানেও কেন তারা সরকার গঠন করতে পারেনি?
তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ও তাদের সহযোগীরা এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে চায়, কারণ অনুপ্রবেশকারীরা তাদের ভোটব্যাংক। ভুয়া ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে দলটি। ভোটার তালিকা থেকে অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ ঠেকাতেই কংগ্রেস এমন অবস্থান নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রাহুল গান্ধীর ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি বাদ পড়ার দাবির জবাবে অমিত শাহ বলেন, এ তথ্য সঠিক নয়। তাঁর দাবি, বাদ পড়া ১৩ কোটি নামের মধ্যে প্রায় ৬ কোটি ২৫ লাখ ব্যক্তি অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছেন। প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ থেকে ৩ কোটি মানুষ মারা গেছেন।
অমিত শাহ বলেন, ‘যারা অন্য জায়গায় চলে গেছেন, তাদের কি দুটি জায়গায় ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত? যারা মারা গেছেন, তাদের নাম কি ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত নয়? রাহুল গান্ধী, এই মানুষগুলো যখন আর বেঁচে নেই, তখন তাদের হয়ে ভোট দিতে আসবেন কারা?’
এ ছাড়া তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকারকেও আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যটিকে দিল্লির ক্ষমতাকেন্দ্রের জন্য ‘এটিএমে’ পরিণত করেছে কংগ্রেস সরকার।
এ সময় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট (ইউপিএ) সরকারের আমলে ১২ লাখ কোটি রুপির দুর্নীতি হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন অমিত শাহ।

দৈনিক টার্গেট 

























