প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ফ্লোরিডার লেকল্যান্ডে অবস্থিত মারাভিদা সিনিয়র লিভিং কেয়ার হোম থেকে ৮২ বছর বয়সী থমাস মার্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এফবিআই ও সংশ্লিষ্ট কেয়ার হোমের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মেগান মার্কেলের প্রতিনিধিও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এর আগে থমাস মার্কেলের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি রাখা এবং শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। তাঁর ছেলে ও মেগানের সৎভাই থমাস মার্কেল জুনিয়র দাবি করেন, ফিলিপাইনে বাবার বাড়িতে তিনি শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ ছবি ও ভিডিও খুঁজে পেয়েছিলেন। এরপর তিনি বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান।
ফিলিপিনো কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ নভেম্বর সেবু সিটিতে থমাসের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সংরক্ষণযন্ত্র থেকে এই ধরনের ছবি উদ্ধারের অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় থমাস মার্কেল জুনিয়রকেও ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ ‘পারসন অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া মেক্সিকোর রোসারিতো বিচে থমাসের সাবেক একটি স্টোরেজ ইউনিটেও অভিযান চালানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে থমাস মার্কেল ‘মেইল অন সানডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক কারও সঙ্গে যৌন সম্পর্ক কিংবা শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ছবি রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
গত ২৩ অক্টোবর এক বিবৃতিতে মেগান মার্কেল বলেন, তাঁর বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তাঁকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে। তিনি জানান, এসব অভিযোগ তদন্তের বিষয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল। মেগান বলেন, ‘যেসব শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে, আমার চিন্তা এখন তাদের নিয়ে।’
মেগানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসার ঘটনায় মেগান মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তবে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে বলে আশা করছেন মেগান ও তাঁর পরিবার।

দৈনিক টার্গেট 



























