১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ: শিক্ষককে পাঠদান থেকে অব্যাহতি, তদন্ত কমিটি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮০ বার পঠিত হয়েছে

অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত হাওলাদারকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী এবং টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস খানম।

তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ইউএনও দিদারুল আলম বলেন, বালিকা বিদ্যালয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার এখতিয়ার উপজেলা প্রশাসনের নেই। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে তাঁকে পাঠদান থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হবে। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের চেষ্টা এবং ক্লাস শেষে খাতা দেখার কথা বলে একা যেতে বলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে শিক্ষক ফারুকুজ্জামান ফারুকের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগে তাঁর শাস্তি ও বদলির দাবিতে গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। খবর পেয়ে পুলিশ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার ও ইউএনও মোহাম্মদ দিদারুল আলম ঘটনাস্থলে যান।

পরে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যায় শিক্ষার্থীরা।

ঢাকাগামী বাসের সাইড বক্সে প্লাস্টিকের খাঁচায় বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ১০৩টি প্যারাকিট টিয়া পাখি। খবর পেয়ে বগুড়ার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখিগুলোর সঙ্গে থাকা পাচারকারী বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, ‘ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। এর জন্য সঠিক ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস্তব চিত্র দেখে গেলাম। ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, মামলাটি একটি বৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার তদন্তকালে তদন্তে আসামি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ: শিক্ষককে পাঠদান থেকে অব্যাহতি, তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ০২:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত হাওলাদারকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী এবং টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস খানম।

তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ইউএনও দিদারুল আলম বলেন, বালিকা বিদ্যালয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার এখতিয়ার উপজেলা প্রশাসনের নেই। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে তাঁকে পাঠদান থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হবে। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের চেষ্টা এবং ক্লাস শেষে খাতা দেখার কথা বলে একা যেতে বলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে শিক্ষক ফারুকুজ্জামান ফারুকের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগে তাঁর শাস্তি ও বদলির দাবিতে গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। খবর পেয়ে পুলিশ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার ও ইউএনও মোহাম্মদ দিদারুল আলম ঘটনাস্থলে যান।

পরে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যায় শিক্ষার্থীরা।

ঢাকাগামী বাসের সাইড বক্সে প্লাস্টিকের খাঁচায় বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ১০৩টি প্যারাকিট টিয়া পাখি। খবর পেয়ে বগুড়ার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখিগুলোর সঙ্গে থাকা পাচারকারী বাস থেকে নেমে পালিয়ে যান।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, ‘ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। এর জন্য সঠিক ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস্তব চিত্র দেখে গেলাম। ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, মামলাটি একটি বৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার তদন্তকালে তদন্তে আসামি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।