সাতলা ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি কাইউম ভাট্টি বলেন, নিহত কাওসার হাওলাদারের জানাজা এশার পর শেষ করে ফেরার পথে খবর পান যে খুনের ঘটনায় করা মামলার ২ আসামির বাড়িতে আগুন দিয়েছে কে বা কারা। এই দুই বাড়ি হচ্ছে সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামের খালপাড় বড় ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ১ নম্বর আসামি সজল মোল্লার বাড়ি এবং ভরচ্ছন্ন এলাকায় নান্না মোল্লার বাড়ি। ধারণা করা হচ্ছে, সন্ধ্যার পর এ আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হাওলাদার বলেন, আগুন দেওয়ার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছেছে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম এ তথ্য স্বীকার করে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। একটি টিনের ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেখানে ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার সুযোগ নেই। টিনের ঘর পুড়ে এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে। আরও একটি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছেন। কাওসার হত্যার আসামিদের বাড়িতে এ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তারা এখন পলাতক। সম্ভবত সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্ত করা যায়নি।
প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার রাতে উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত সাতলায় কাওসার হাওলাদার (৩২) নামে এক যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। মাইক্রোবাস যোগে একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী পশ্চিম সাতলা কান্দী সড়কের গোপালগঞ্জ-বরিশাল সীমান্ত এলাকায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটায়। পুলিশ মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, ২ বছর আগে সাতলায় জোড়া খুনের ঘটনার জেরে শুক্রবার রাতে কাওসার হত্যার শিকার হন।

দৈনিক টার্গেট 
























