স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস ধরে ওই নারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে বেড়াতেন। তাঁর পায়ে পচনজনিত রোগ দেখা দেওয়ায় কয়েক দিন আগে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর থেকে তিনি মর্দনা সেতুসংলগ্ন ওই পাকা ভবনের নিচে অবস্থান করছিলেন।
এলাকাবাসী তাঁর পায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। আজ রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। তবে সকালে স্থানীয়রা গিয়ে তাঁর কোনো সাড়াশব্দ পাননি। পরে তাঁরা থানায় খবর দিলে বিকেলে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ওই নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফনের জন্য পটুয়াখালী মফিদুল আঞ্জুমান সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দৈনিক টার্গেট 


























