মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

ধরুন, এক জোড়া জুতা কিনতে গিয়ে ঝোঁকের বশে কিনে ফেললেন পোশাক, ব্যাগসহ আরও দু-একটা ফ্যাশন পণ্য। কিন্তু ঘরে আনার পর সেগুলোর কোনো কোনোটা কেবল হয়তো আলমারিতেই বন্দী রইল। ঝোঁকের বশে কিনে ফেললেও পোশাকটি হয়তো আপনাকে মানাচ্ছে না বা সেগুলো পরার উপলক্ষ খুঁজে পাচ্ছেন না।

পরিবেশবাদীরা টেকসই উন্নয়নের জন্য কেবল সবুজায়নের দিকেই নজর দিচ্ছে, তা কিন্তু নয়। তাঁদের নজর রয়েছে পৃথিবীবাসীর আলমারিতেও। কারণ, আপনার পরিধেয় পোশাকটি কোন উপাদানে তৈরি এবং তা পৃথিবীর বর্জ্য উৎপাদনে কতটা ভূমিকা রাখছে তা-ও ভাবনার বিষয়। মানেটা সহজ– প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কিছুই ঘরে রাখার দরকার নেই। কথাটা পরিধেয় পোশাক ও অনুষঙ্গের বেলাতেও খাটে। তাই তাদের ভাষ্য, ফ্যাশন পণ্যে ঠিক ততটুকুই খরচ করুন, যেটুকু না করলেই নয়। শুধু এতেই চলবে না। পাশাপাশি পোশাকের উপযোগিতা যত দিন থাকবে তত দিন তা ব্যবহার করতে হবে। পরার উপযোগিতা হারালে সে পোশাকটি ফেলে না দিয়ে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যায়, সে কথাও ভাবতে উৎসাহী করছেন পরিবেশবাদীরা।

কোনো পোশাক বা ফ্যাশন অনুষঙ্গ কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কী কিনছেন এবং কেন কিনছেন? আপনার আসলে কী প্রয়োজন? আপনি কি পোশাকটি কমপক্ষে ৭০ বার পরবেন? যা কিনতে চাচ্ছেন, তা কি ইতিমধ্যে আপনার আলমারিতে আছে? যদি অনুষঙ্গ হয় তাহলে তা আদতেই কি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়, নাকি জিনিসটি সুন্দর বলেই কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে? যদি উত্তরগুলোয় যথাযথ যুক্তি খুঁজে পান তাহলে তা কিনে ফেলুন। নয়তো এ বেলায় সংযত হোন। বাড়তি খরচ ও আলমারিতে বাড়তি ফ্যাশন অনুষঙ্গ আপনাকে অসুবিধায় ফেলতে পারে।

ভেবে দেখুন তো, কোনো বিয়ে, জন্মদিন বা পারিবারিক আয়োজনে পরার জন্য জমকালো পোশাক কেনার পর তা পরবর্তীকালে কতবার পরেছেন। যত্রতত্র কেনার ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রাক টেক্সটাইল বর্জ্য পোড়ানো হয়। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? এখানেও পুনর্ব্যবহারের কথা বলা যায়। ধরুন, মায়ের বিয়ের ওড়না বা শাড়ি পুরোনো স্য়ুটকেসে বছরের পর বছর রেখে না দিয়ে যদি একটু ভ্যালু অ্যাড করে অনুষ্ঠানে পরা যায়, তাহলে পোশাক কেনার খরচ অনেকটাই কমে। এতে সবুজ পৃথিবী গড়তেও খানিকটা ভূমিকা রাখা যায়।

টেকসই পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কোন উপকরণে পোশাক তৈরি হচ্ছে, তা জানা খুবই জরুরি। সিনথেটিক জাতীয়, যেমন পলিয়েস্টারের পোশাক, এড়িয়ে চলুন। বিশ্বে তৈরি হওয়া ৫৫ শতাংশ পোশাকই পলিয়েস্টারের। এগুলো তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রয়োজন হয় এবং পুরোনো অবস্থায় ফেলে দেওয়ার পর এগুলো মাটির সঙ্গে মিশে যেতে অনেক সময় লাগে। জৈব তুলা উৎপাদনে অন্যান্য তুলার চেয়ে কম পানি লাগে এবং এতে ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। পোশাক কেনার সময় পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ আছে কি না, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।

চাইলেই সিনথেটিক জাতীয় পোশাক এড়িয়ে চলা পুরোপুরি সম্ভব নয়। এই ধরনের পোশাক ধোয়ার সময় হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক পানি এবং নদীর সঙ্গে মিশে যায়। সামুদ্রিক জীব ও প্রাণী এ ধরনের সামান্য প্লাস্টিক খেয়েই ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে, মাইক্রোপ্লাস্টিক ফিল্টার, যেমন গাপ্পি ব্যাগ, এ ক্ষেত্রে ভালো সমাধান হতে পারে।

আজকের রাশিফল: সঙ্গীর প্রশংসায় কার্পণ্য করলে সন্ধ্যায় ঝড়ের পূর্বাভাস

আজকের রাশিফল: সঙ্গীর প্রশংসায় কার্পণ্য করলে সন্ধ্যায় ঝড়ের পূর্বাভাস

আজ আপনার মেজাজ সকাল থেকেই চার শ আশি ভোল্টের ব্যাটারির মতো গরম হয়ে থাকতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হবে গোটা পৃথিবীর লোক আপনাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, অথচ বাস্তবতা হলো সবাই যার যার সকালে চা আর বিস্কুট খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত।

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

হ্যালোউইন মূলত পশ্চিমা বিশ্বের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। তবে বর্তমানে বিশ্বায়নের যুগে এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবছর ৩১ অক্টোবর এলেই চারপাশটা রহস্যময় হয়ে ওঠে। ছোট-বড় সবাই মেতে ওঠে হ্যালোউইন উৎসবে। ভূত, পেত্নী, জাদুকর কিংবা প্রিয় সুপারহিরোর কস্টিউম পরে ঘুরে বেড়ানো

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

বয়স মাত্র ২০ বা ৩০-এর কোঠায়। অথচ আয়নায় তাকালেই নজরে পড়ছে দু-একটি রুপালি চুল। বন্ধুদের চুল যখন ঘন ও কালো, তখন আপনার মাথায় অসময়ে পাকা চুল বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়াটা দুশ্চিন্তার কারণ হওয়াই স্বাভাবিক। রূপচর্চার জগতে আজকাল ঘরোয়া টোটকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্টের ছড়াছড়ি।

জনপ্রিয় টার্গেট

মসজিদ নির্মাণে জমি দানের দাবিটি ভুয়া, স্পষ্ট করলেন সানিয়া মির্জার বাবা

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

প্রকাশ: ০৩:১৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ধরুন, এক জোড়া জুতা কিনতে গিয়ে ঝোঁকের বশে কিনে ফেললেন পোশাক, ব্যাগসহ আরও দু-একটা ফ্যাশন পণ্য। কিন্তু ঘরে আনার পর সেগুলোর কোনো কোনোটা কেবল হয়তো আলমারিতেই বন্দী রইল। ঝোঁকের বশে কিনে ফেললেও পোশাকটি হয়তো আপনাকে মানাচ্ছে না বা সেগুলো পরার উপলক্ষ খুঁজে পাচ্ছেন না।

পরিবেশবাদীরা টেকসই উন্নয়নের জন্য কেবল সবুজায়নের দিকেই নজর দিচ্ছে, তা কিন্তু নয়। তাঁদের নজর রয়েছে পৃথিবীবাসীর আলমারিতেও। কারণ, আপনার পরিধেয় পোশাকটি কোন উপাদানে তৈরি এবং তা পৃথিবীর বর্জ্য উৎপাদনে কতটা ভূমিকা রাখছে তা-ও ভাবনার বিষয়। মানেটা সহজ– প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কিছুই ঘরে রাখার দরকার নেই। কথাটা পরিধেয় পোশাক ও অনুষঙ্গের বেলাতেও খাটে। তাই তাদের ভাষ্য, ফ্যাশন পণ্যে ঠিক ততটুকুই খরচ করুন, যেটুকু না করলেই নয়। শুধু এতেই চলবে না। পাশাপাশি পোশাকের উপযোগিতা যত দিন থাকবে তত দিন তা ব্যবহার করতে হবে। পরার উপযোগিতা হারালে সে পোশাকটি ফেলে না দিয়ে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যায়, সে কথাও ভাবতে উৎসাহী করছেন পরিবেশবাদীরা।

কোনো পোশাক বা ফ্যাশন অনুষঙ্গ কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কী কিনছেন এবং কেন কিনছেন? আপনার আসলে কী প্রয়োজন? আপনি কি পোশাকটি কমপক্ষে ৭০ বার পরবেন? যা কিনতে চাচ্ছেন, তা কি ইতিমধ্যে আপনার আলমারিতে আছে? যদি অনুষঙ্গ হয় তাহলে তা আদতেই কি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়, নাকি জিনিসটি সুন্দর বলেই কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে? যদি উত্তরগুলোয় যথাযথ যুক্তি খুঁজে পান তাহলে তা কিনে ফেলুন। নয়তো এ বেলায় সংযত হোন। বাড়তি খরচ ও আলমারিতে বাড়তি ফ্যাশন অনুষঙ্গ আপনাকে অসুবিধায় ফেলতে পারে।

ভেবে দেখুন তো, কোনো বিয়ে, জন্মদিন বা পারিবারিক আয়োজনে পরার জন্য জমকালো পোশাক কেনার পর তা পরবর্তীকালে কতবার পরেছেন। যত্রতত্র কেনার ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রাক টেক্সটাইল বর্জ্য পোড়ানো হয়। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? এখানেও পুনর্ব্যবহারের কথা বলা যায়। ধরুন, মায়ের বিয়ের ওড়না বা শাড়ি পুরোনো স্য়ুটকেসে বছরের পর বছর রেখে না দিয়ে যদি একটু ভ্যালু অ্যাড করে অনুষ্ঠানে পরা যায়, তাহলে পোশাক কেনার খরচ অনেকটাই কমে। এতে সবুজ পৃথিবী গড়তেও খানিকটা ভূমিকা রাখা যায়।

টেকসই পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কোন উপকরণে পোশাক তৈরি হচ্ছে, তা জানা খুবই জরুরি। সিনথেটিক জাতীয়, যেমন পলিয়েস্টারের পোশাক, এড়িয়ে চলুন। বিশ্বে তৈরি হওয়া ৫৫ শতাংশ পোশাকই পলিয়েস্টারের। এগুলো তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রয়োজন হয় এবং পুরোনো অবস্থায় ফেলে দেওয়ার পর এগুলো মাটির সঙ্গে মিশে যেতে অনেক সময় লাগে। জৈব তুলা উৎপাদনে অন্যান্য তুলার চেয়ে কম পানি লাগে এবং এতে ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। পোশাক কেনার সময় পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ আছে কি না, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।

চাইলেই সিনথেটিক জাতীয় পোশাক এড়িয়ে চলা পুরোপুরি সম্ভব নয়। এই ধরনের পোশাক ধোয়ার সময় হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক পানি এবং নদীর সঙ্গে মিশে যায়। সামুদ্রিক জীব ও প্রাণী এ ধরনের সামান্য প্লাস্টিক খেয়েই ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে, মাইক্রোপ্লাস্টিক ফিল্টার, যেমন গাপ্পি ব্যাগ, এ ক্ষেত্রে ভালো সমাধান হতে পারে।

আজকের রাশিফল: সঙ্গীর প্রশংসায় কার্পণ্য করলে সন্ধ্যায় ঝড়ের পূর্বাভাস

আজকের রাশিফল: সঙ্গীর প্রশংসায় কার্পণ্য করলে সন্ধ্যায় ঝড়ের পূর্বাভাস

আজ আপনার মেজাজ সকাল থেকেই চার শ আশি ভোল্টের ব্যাটারির মতো গরম হয়ে থাকতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হবে গোটা পৃথিবীর লোক আপনাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, অথচ বাস্তবতা হলো সবাই যার যার সকালে চা আর বিস্কুট খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত।

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

হ্যালোউইন মূলত পশ্চিমা বিশ্বের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। তবে বর্তমানে বিশ্বায়নের যুগে এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবছর ৩১ অক্টোবর এলেই চারপাশটা রহস্যময় হয়ে ওঠে। ছোট-বড় সবাই মেতে ওঠে হ্যালোউইন উৎসবে। ভূত, পেত্নী, জাদুকর কিংবা প্রিয় সুপারহিরোর কস্টিউম পরে ঘুরে বেড়ানো

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

বয়স মাত্র ২০ বা ৩০-এর কোঠায়। অথচ আয়নায় তাকালেই নজরে পড়ছে দু-একটি রুপালি চুল। বন্ধুদের চুল যখন ঘন ও কালো, তখন আপনার মাথায় অসময়ে পাকা চুল বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়াটা দুশ্চিন্তার কারণ হওয়াই স্বাভাবিক। রূপচর্চার জগতে আজকাল ঘরোয়া টোটকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্টের ছড়াছড়ি।