ডিলার নিয়োগে অনিয়ম

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার পঠিত হয়েছে

অনৈতিক প্রক্রিয়ায় সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হলে আগামী মৌসুমে যে সারের সংকট তৈরি হবে না, তার নিশ্চয়তা কি আছে? যদি নীতিমালা উপেক্ষা করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই সৎ নন। তাঁরা যে ভবিষ্যতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা লোটার অপচেষ্টা চালাবেন না, এ কথার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসায়িক নৈতিকতাও তাঁদের কাছে আশা করা যায় না। ফলে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার না পেলে এর প্রভাব পড়বে কৃষি খাতের ওপর। অভিযোগ আছে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সার নিয়ে নানা অপকর্মের কারণে কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

যদিও কৃষি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শতভাগ নীতিমালা মেনে ডিলার নিয়োগের দাবি করা হয়েছে এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে ডিলারশিপ বাতিলের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শুধু আশ্বাসেই মাঠপর্যায়ের অনিশ্চয়তা যে কাটবে, তার সম্ভাবনা কতটুকু? এ বিষয় নিয়ে অবশ্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং অভিযোগ ওঠা এলাকাগুলোতে নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা ইতিবাচক সংবাদ। তবে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা না হলে সমস্যার সমাধান হবে না।

সবচেয়ে জরুরি হলো, অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ামাত্রই রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অযোগ্যদের ডিলারশিপ বাতিল করতে হবে এবং যোগ্যদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও কৃত্রিম সংকট রোধে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় পর্যাপ্ত সারের মজুত নিশ্চিত করতে হবে।

কৃষি খাতকে দলীয় এবং ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। সারের মতো স্পর্শকাতর কৃষি উপকরণের বিলিবণ্টন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা ঠিক হবে না। আমাদের প্রত্যাশা, সারের ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মাঠপর্যায়ে সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি শক্ত হাতে দমন করা হবে। তা না হলে এ দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।

ভয়ের বিষয়

একের পর এক মাদ্রাসা থেকে যেসব ভয়াবহ খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে শঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই। মাদ্রাসায় পড়তে আসা শিশুদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়, তা নিয়ে বহু অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে, শিশুরা বাড়ি ফিরে আর মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে অভিভাবকেরা শিশুটির কথা না শুনে জোর করে আবার পাঠিয়ে দেন সেখানে।

পরকীয়ার শাস্তি

বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকীয়া বা ব্যভিচারের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড। তবে এই আইনে কেবল অন্য পুরুষের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকারী পরকীয়া সৃষ্টিকারী পুরুষের শাস্তির বিধান রয়েছে। এবং এতে নারীর কোনো শাস্তির বা অপরাধী হিসেবে গণ্য হওয়ার বিধান নেই।

অন্যপাতা

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন তরুণ মিলে আশাজাগানিয়া একটি কাজ করেছেন। নিজেদের হাতখরচ আর টিউশনির টাকায় তাঁরা নির্মাণ করেছেন একটি সিনেমা। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন ও সর্বাত্মক শাটডাউনের মধ্যেই শুক্রবার মুক্তি পেল ‘অন্যপাতা’ নামের সিনেমাটি।

জনপ্রিয় টার্গেট

তামিমের যে রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় এখনো মুশফিক, ছুটছেন শান্তও

ডিলার নিয়োগে অনিয়ম

প্রকাশ: ০৮:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অনৈতিক প্রক্রিয়ায় সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হলে আগামী মৌসুমে যে সারের সংকট তৈরি হবে না, তার নিশ্চয়তা কি আছে? যদি নীতিমালা উপেক্ষা করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই সৎ নন। তাঁরা যে ভবিষ্যতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা লোটার অপচেষ্টা চালাবেন না, এ কথার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসায়িক নৈতিকতাও তাঁদের কাছে আশা করা যায় না। ফলে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার না পেলে এর প্রভাব পড়বে কৃষি খাতের ওপর। অভিযোগ আছে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সার নিয়ে নানা অপকর্মের কারণে কৃষকেরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

যদিও কৃষি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শতভাগ নীতিমালা মেনে ডিলার নিয়োগের দাবি করা হয়েছে এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে ডিলারশিপ বাতিলের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শুধু আশ্বাসেই মাঠপর্যায়ের অনিশ্চয়তা যে কাটবে, তার সম্ভাবনা কতটুকু? এ বিষয় নিয়ে অবশ্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং অভিযোগ ওঠা এলাকাগুলোতে নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা ইতিবাচক সংবাদ। তবে সিদ্ধান্ত কার্যকর করা না হলে সমস্যার সমাধান হবে না।

সবচেয়ে জরুরি হলো, অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ামাত্রই রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অযোগ্যদের ডিলারশিপ বাতিল করতে হবে এবং যোগ্যদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও কৃত্রিম সংকট রোধে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় পর্যাপ্ত সারের মজুত নিশ্চিত করতে হবে।

কৃষি খাতকে দলীয় এবং ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। সারের মতো স্পর্শকাতর কৃষি উপকরণের বিলিবণ্টন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা ঠিক হবে না। আমাদের প্রত্যাশা, সারের ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মাঠপর্যায়ে সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি শক্ত হাতে দমন করা হবে। তা না হলে এ দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।

ভয়ের বিষয়

একের পর এক মাদ্রাসা থেকে যেসব ভয়াবহ খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে শঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই। মাদ্রাসায় পড়তে আসা শিশুদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়, তা নিয়ে বহু অভিযোগ রয়েছে। এমনও দেখা গেছে, শিশুরা বাড়ি ফিরে আর মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে অভিভাবকেরা শিশুটির কথা না শুনে জোর করে আবার পাঠিয়ে দেন সেখানে।

পরকীয়ার শাস্তি

বাংলাদেশের প্রচলিত দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকীয়া বা ব্যভিচারের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড। তবে এই আইনে কেবল অন্য পুরুষের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকারী পরকীয়া সৃষ্টিকারী পুরুষের শাস্তির বিধান রয়েছে। এবং এতে নারীর কোনো শাস্তির বা অপরাধী হিসেবে গণ্য হওয়ার বিধান নেই।

অন্যপাতা

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন তরুণ মিলে আশাজাগানিয়া একটি কাজ করেছেন। নিজেদের হাতখরচ আর টিউশনির টাকায় তাঁরা নির্মাণ করেছেন একটি সিনেমা। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন ও সর্বাত্মক শাটডাউনের মধ্যেই শুক্রবার মুক্তি পেল ‘অন্যপাতা’ নামের সিনেমাটি।