নারী ফুটবল দিয়ে এশিয়ান গেমসে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের মিশন। জাপানের নাগাই স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় শুরু হবে ম্যাচ। কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিয়ানমার। তিন দলেরই র্যাঙ্কিং বাংলাদেশের ওপরে। বাটলার গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তাই শুরুতেই বাস্তবতার কথাটা বলে রেখেছেন, ‘সার্বিকভাবে আমরা বাস্তবসম্মত কিছু লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছি।’
সেই বাস্তবতার ভেতরেই অবশ্য নিজেদের একটা গল্প লিখতে চায় বাংলাদেশ। দলের বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড় এবার বড় মঞ্চে নিজেদের দেখানোর সুযোগ পাবেন। ফল যা-ই হোক, তাঁদের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাটলার বলেন, ‘আমরা এখানে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে, শিখতে এবং আমাদের সামনে যে সুযোগগুলো তৈরি হয়েছে, তা থেকে নিজেদের এগিয়ে নিতে এসেছি।’
উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে কাজ কত কঠিন, সেটিও অজানা নয় বাটলারের। গত মার্চের ৫–০ হারই তার প্রমাণ। কিন্তু সেই ম্যাচকে শুধু লজ্জার স্মৃতি হিসেবে দেখতে চান না বাটলার। তরুণদের জন্য সেটিকে দেখছেন শিক্ষার অংশ হিসেবে। তিনি বলেন, ‘গত এশিয়ান কাপে আমরা যখন তাদের মুখোমুখি হয়েছিলাম, তখন ৫-০ ব্যবধানে হেরেছিলাম। আমরা সেবার খুব একটা ভালো খেলতে পারিনি, তবে আমাদের তরুণ মেয়েদের জন্য সেটি ছিল দারুণ এক শিক্ষা।’
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের (১০৭) চেয়ে ৯৬ ধাপ এগিয়ে উত্তর কোরিয়া (১১)। কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড় নয়, পুরো প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে বাটলারকে, ‘শুধু এক বা দুজন ব্যক্তির ওপর মনোযোগ দেওয়া বোকামি হবে। আমার মনে হয়, পুরো দলটার দিকেই তাকাতে হবে।’
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতার জায়গাও লুকাননি বাটলার। উত্তর কোরিয়ার মতো দলের সঙ্গে বাংলাদেশের ফুটবলের তুলনাই চলে না, সেটি তাঁর কাছে স্পষ্ট, ‘আমাদের নিজস্ব কোনো লিগ নেই, তাই আমরা কী চাই বা কী আশা করি, সে বিষয়ে আমাদের সৎ এবং বাস্তবমুখী হতে হবে। সবাই জানে, আমাদের জয়ের বিন্দুমাত্র কোনো সুযোগ বা আশা কেউ দেখছে না এবং বাস্তবতা হয়তো সেটাই।’
তবু এখানেই শেষ নয়। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে জয় নিয়ে কেউ আশা না করলেও মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। বাটলারের চাওয়া, সেই সুযোগটা ঋতুপর্ণা-মারিয়ারা উপভোগ করুক, ‘সবকিছুই হলো শেখা, গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা এবং মাঠে একটি ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেওয়ার বিষয়, যেন মেয়েরা এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।’
জাপানে যাওয়ার আগে চীনে ১০ দিনের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ। সেই ক্যাম্পে চোটে পড়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন ডিফেন্ডার নবীরণ খাতুন। তবে তাঁর বদলি হিসেবে কাউকে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ।
এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্ক যেন থামছেই না। পুরুষদের পর এবার নারী এশিয়া কাপেও মহসিন নকভিকে ঘিরে তৈরি হলো একই ধরনের পরিস্থিতি। শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পর তাঁর কাছ থেকে ট্রফি নেয়নি ভারতীয় নারী দল। এমনকি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান
ছয় বছর আগে ইউএস ওপেনের ফাইনালে দুই সেটে এগিয়েও শিরোপা হাতছাড়া করেছিলেন আলেক্সান্ডার জভেরেভ। সেই আক্ষেপ এবার ঘুচেছে। ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের বেন শেলটনকে ৬-৩, ৭-৬(২), ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেন জিতলেন জার্মান তারকা। চলতি মৌসুমে রোলাঁ গারোঁর পর এটি তাঁর দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা।
শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে রেকর্ড অষ্টমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। তবে শিরোপা জয়ের পরও পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দেখা গেল না হারমানপ্রীত কৌরের দলকে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেয়নি তারা।
দৈনিক টার্গেট 
























