গতকাল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন দিলয়ারা বেগম (৪৮), তাঁর ছেলে শাহদাত হোসেন ইরফান (২০) ও জিহান হোসেন (২৪)।
আহত তিনজনকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় দিলয়ারার আরেক ছেলে মো. জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে পটিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ আবদুল হান্নান (৪৫), মো. সেলিম (৪৬), নেজাম উদ্দিন (৪০) ও ফোরকান উদ্দিন আজম (৩৫) নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করে। আজ শনিবার বেলা ৩টার দিকে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জাবেদ হোসেনের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার আলমসহ কয়েকজনের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদীর বসতবাড়ির পেছনের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢোকেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, হামলার সময় বাদীর ভাই মুঠোফোনে ঘটনার দৃশ্য ধারণের চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে বাধা দেন এবং মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে বাদীর মা দিলয়ারা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে কোপানো হলে তাঁর কপালে গুরুতর জখম হয়। হামলায় অপর ভাইয়ের নাক ফেটে রক্তাক্ত জখম হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আশপাশের লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক বলেন, ‘পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মা ও দুই ছেলেকে জখম করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

দৈনিক টার্গেট 






















