এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। গুলি ছোড়ার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গুলি করার পর ৭–৮ জন যুবক ক্লিনিকে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। তবে ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 





















