মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, সমুদ্র জয়ের নায়ক গড়ার বিদ্যাপীঠ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:২০:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

সমুদ্রবিজ্ঞান, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও নটিক্যাল সায়েন্সে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিয়ে একাডেমিটি ইতিমধ্যে সামুদ্রিক খাতে বিশ্বস্ত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ।

ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে একাডেমির আধুনিক সমুদ্রশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের গঠন ও গতিপ্রকৃতি, মৎস্য ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা ও চাষ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় জীবনমান সম্পর্কিত নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। এই জ্ঞান বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ ও সক্ষমতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে বিশ্বমানের মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার লক্ষ্যে একাডেমির জন্য আবশ্যকীয় ও অদূরভবিষ্যতে বাস্তবায়নযোগ্য স্থাপনা এবং সুবিধার চাহিদা পূরণে বিদ্যমান ১০ দশমিক ৩৩ একর জায়গার ওপর স্থাপত্য অধিদপ্তর একটি যুগোপযোগী মাস্টার প্ল্যানের নকশা প্রণয়ন করেছে। নকশাটি ইতিমধ্যে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত হয়েছে। মাস্টার প্ল্যান টিওঅ্যান্ডই-ভুক্তকরণ ও প্রকল্প গ্রহণের জন্য ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে।’

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে ১০ নটিক্যাল মাইল ভেতরে, চট্টগ্রাম সদর ঘাটের অপর প্রান্তে মৎস্য বন্দরের ইছানগর এলাকায় ১০ দশমিক ৩৩ একর জায়গা নিয়ে একাডেমিটি গড়ে উঠেছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত জাহাজ ও মাইন অপসারণ করে বন্দরকে ব্যবহার উপযোগী করার লক্ষ্যে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার রুশ বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়েছিল।

বঙ্গোপসাগরের বিশাল সমুদ্রসীমা জয়ের পর বাংলাদেশের জন্য সুনীল অর্থনীতির যে নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশেষায়িত ও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি পূরণ করা। এ জন্য শুরু থেকেই একাডেমিটি মেরিন ক্যাডেটদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলছে। এখান থেকে উত্তীর্ণ ক্যাডেটরা দেশীয় ফিশিং ভেসেল ও মার্চেন্ট শিপেই নয়, আন্তর্জাতিক নৌবহরেও সুনামের সঙ্গে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন।

মৎস্য সম্পদ আহরণ, আধুনিক ট্রলার পরিচালনা, সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা এবং আধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তিতে ক্যাডেটদের দক্ষ করে তুলতে একাডেমিতে যুক্ত করা হয় অত্যাধুনিক সিমুলেটর, ল্যাবরেটরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সুবিধা। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উপায়ে সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারের যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, একাডেমির স্নাতকেরাই তার মূল চালিকাশক্তি।

বাংলাদেশের সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার, সমুদ্রবিজ্ঞান চর্চা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ১৯৭৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠ করা হয়।

জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার ট্রলারগুলোর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের ওপর ন্যস্ত করে। সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ এবং এ খাতের জন্য সুদক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উদ্দেশ্যে তখন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের একটি উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে একাডেমিটি যাত্রা শুরু করে।

পরবর্তী সময়ে ১ জুলাই ১৯৯৩ থেকে একাডেমিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বাজেটভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী ‘অধ্যক্ষ’ প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী একাডেমির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এর মাধ্যমে একাডেমিটি সামুদ্রিক খাতে দক্ষ জনশক্তি গঠন ও সুনীল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

এ ছাড়া একাডেমি থেকে এ পর্যন্ত ৪৪তম ব্যাচের ৯৪ জন নারী ক্যাডেটসহ প্রায় ২ হাজার ৩৫৩ জন ক্যাডেট প্রি-সি ট্রেনিং সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছেন। ২০১১ সালে ৩২তম ব্যাচ থেকে পুরুষ ক্যাডেটদের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নারী ক্যাডেটদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়।

একাডেমির কোর্স কারিকুলামে আইসিটি ও ডিজিটাইজেশন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একাডেমিতে ৪০ ওয়ার্কস্টেশনের আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে মেরিন ওয়ার্কশপ, ইলেকট্রিক্যাল ল্যাব, সিম্যানশিপ ল্যাব, লাইব্রেরি, সুইমিংপুল, সিমুলেটরভিত্তিক প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ফায়ার ফাইটিং সিমুলেটর।

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কর্মসংস্থান ও বহুমুখী শিল্প খাতে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে একাডেমি ভূমিকা রাখছে। ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতিতে অবদানের পাশাপাশি ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণেও একাডেমি কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।

অস্ট্রেলিয়ায় গবেষণায় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি রবিউল আলম

অস্ট্রেলিয়ায় গবেষণায় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি রবিউল আলম

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের (ইউকিউ) মর্যাদাপূর্ণ ‘এন ভি ভার্গিজ প্রাইজ ফর কম্পারেটিভ এডুকেশন ২০২৬’ অর্জন করেছেন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মো. রবিউল আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশন থেকে গবেষণার মৌলিকত্ব, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং কম্পারেটিভ এডুকেশন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁক

নাসার রোভার চ্যালেঞ্জে ৫ শিক্ষার্থীর দল

নাসার রোভার চ্যালেঞ্জে ৫ শিক্ষার্থীর দল

নাসার আন্তর্জাতিক রোভার প্রতিযোগিতা ‘হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ’ (এইচইআরসি) ২০২৭-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ ইন্টারপ্ল্যানেটারি রোভার টিম (বিআইআরটি)। টিম আকাশ পাঠাবোর উদ্যোগে পরিচালিত দলটি প্রতিযোগিতার মিডল/হাইস্কুল(সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়) রিমোট-কন্ট্রোলড বিভাগে অংশ নেবে।

হার্ভার্ডে ভর্তির যোগ্যতা কী জানালেন আসিফ মোক্তাদির

হার্ভার্ডে ভর্তির যোগ্যতা কী জানালেন আসিফ মোক্তাদির

সিলেটে বেড়ে ওঠা আসিফ মোক্তাদির উন্নত শিক্ষার স্বপ্নে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। বাফেলো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে প্রথম সেমিস্টারে তাঁর জিপিএ ছিল মাত্র ২.৬৭। পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়েও ছিলেন অনিশ্চয়তায়। সেই আসিফ এখন হার্ভার্ডে স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে পড়ছেন। আজকের পত্রিকার পডকাস্ট ‘সফল যা

জনপ্রিয় টার্গেট

মার্কিন কর্মকর্তাদের হত্যার গোপন মিশনের ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ ইরান, সতর্ক ওয়াশিংটন

মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, সমুদ্র জয়ের নায়ক গড়ার বিদ্যাপীঠ

প্রকাশ: ০৮:২০:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সমুদ্রবিজ্ঞান, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও নটিক্যাল সায়েন্সে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিয়ে একাডেমিটি ইতিমধ্যে সামুদ্রিক খাতে বিশ্বস্ত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ।

ক্যাপ্টেন ফাইজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে একাডেমির আধুনিক সমুদ্রশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের গঠন ও গতিপ্রকৃতি, মৎস্য ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা ও চাষ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় জীবনমান সম্পর্কিত নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। এই জ্ঞান বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ ও সক্ষমতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘মেরিন ফিশারিজ একাডেমিকে বিশ্বমানের মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার লক্ষ্যে একাডেমির জন্য আবশ্যকীয় ও অদূরভবিষ্যতে বাস্তবায়নযোগ্য স্থাপনা এবং সুবিধার চাহিদা পূরণে বিদ্যমান ১০ দশমিক ৩৩ একর জায়গার ওপর স্থাপত্য অধিদপ্তর একটি যুগোপযোগী মাস্টার প্ল্যানের নকশা প্রণয়ন করেছে। নকশাটি ইতিমধ্যে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত হয়েছে। মাস্টার প্ল্যান টিওঅ্যান্ডই-ভুক্তকরণ ও প্রকল্প গ্রহণের জন্য ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে।’

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে ১০ নটিক্যাল মাইল ভেতরে, চট্টগ্রাম সদর ঘাটের অপর প্রান্তে মৎস্য বন্দরের ইছানগর এলাকায় ১০ দশমিক ৩৩ একর জায়গা নিয়ে একাডেমিটি গড়ে উঠেছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত জাহাজ ও মাইন অপসারণ করে বন্দরকে ব্যবহার উপযোগী করার লক্ষ্যে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার রুশ বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়েছিল।

বঙ্গোপসাগরের বিশাল সমুদ্রসীমা জয়ের পর বাংলাদেশের জন্য সুনীল অর্থনীতির যে নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশেষায়িত ও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি পূরণ করা। এ জন্য শুরু থেকেই একাডেমিটি মেরিন ক্যাডেটদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলছে। এখান থেকে উত্তীর্ণ ক্যাডেটরা দেশীয় ফিশিং ভেসেল ও মার্চেন্ট শিপেই নয়, আন্তর্জাতিক নৌবহরেও সুনামের সঙ্গে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন।

মৎস্য সম্পদ আহরণ, আধুনিক ট্রলার পরিচালনা, সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা এবং আধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তিতে ক্যাডেটদের দক্ষ করে তুলতে একাডেমিতে যুক্ত করা হয় অত্যাধুনিক সিমুলেটর, ল্যাবরেটরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সুবিধা। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উপায়ে সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারের যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, একাডেমির স্নাতকেরাই তার মূল চালিকাশক্তি।

বাংলাদেশের সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার, সমুদ্রবিজ্ঞান চর্চা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ১৯৭৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠ করা হয়।

জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার ট্রলারগুলোর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের ওপর ন্যস্ত করে। সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ এবং এ খাতের জন্য সুদক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উদ্দেশ্যে তখন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের একটি উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে একাডেমিটি যাত্রা শুরু করে।

পরবর্তী সময়ে ১ জুলাই ১৯৯৩ থেকে একাডেমিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বাজেটভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী ‘অধ্যক্ষ’ প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী একাডেমির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এর মাধ্যমে একাডেমিটি সামুদ্রিক খাতে দক্ষ জনশক্তি গঠন ও সুনীল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

এ ছাড়া একাডেমি থেকে এ পর্যন্ত ৪৪তম ব্যাচের ৯৪ জন নারী ক্যাডেটসহ প্রায় ২ হাজার ৩৫৩ জন ক্যাডেট প্রি-সি ট্রেনিং সম্পন্ন করে সনদ পেয়েছেন। ২০১১ সালে ৩২তম ব্যাচ থেকে পুরুষ ক্যাডেটদের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নারী ক্যাডেটদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়।

একাডেমির কোর্স কারিকুলামে আইসিটি ও ডিজিটাইজেশন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একাডেমিতে ৪০ ওয়ার্কস্টেশনের আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে মেরিন ওয়ার্কশপ, ইলেকট্রিক্যাল ল্যাব, সিম্যানশিপ ল্যাব, লাইব্রেরি, সুইমিংপুল, সিমুলেটরভিত্তিক প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ফায়ার ফাইটিং সিমুলেটর।

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কর্মসংস্থান ও বহুমুখী শিল্প খাতে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে একাডেমি ভূমিকা রাখছে। ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতিতে অবদানের পাশাপাশি ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণেও একাডেমি কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।

অস্ট্রেলিয়ায় গবেষণায় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি রবিউল আলম

অস্ট্রেলিয়ায় গবেষণায় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি রবিউল আলম

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের (ইউকিউ) মর্যাদাপূর্ণ ‘এন ভি ভার্গিজ প্রাইজ ফর কম্পারেটিভ এডুকেশন ২০২৬’ অর্জন করেছেন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মো. রবিউল আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশন থেকে গবেষণার মৌলিকত্ব, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং কম্পারেটিভ এডুকেশন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁক

নাসার রোভার চ্যালেঞ্জে ৫ শিক্ষার্থীর দল

নাসার রোভার চ্যালেঞ্জে ৫ শিক্ষার্থীর দল

নাসার আন্তর্জাতিক রোভার প্রতিযোগিতা ‘হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ’ (এইচইআরসি) ২০২৭-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ ইন্টারপ্ল্যানেটারি রোভার টিম (বিআইআরটি)। টিম আকাশ পাঠাবোর উদ্যোগে পরিচালিত দলটি প্রতিযোগিতার মিডল/হাইস্কুল(সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়) রিমোট-কন্ট্রোলড বিভাগে অংশ নেবে।

হার্ভার্ডে ভর্তির যোগ্যতা কী জানালেন আসিফ মোক্তাদির

হার্ভার্ডে ভর্তির যোগ্যতা কী জানালেন আসিফ মোক্তাদির

সিলেটে বেড়ে ওঠা আসিফ মোক্তাদির উন্নত শিক্ষার স্বপ্নে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। বাফেলো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে প্রথম সেমিস্টারে তাঁর জিপিএ ছিল মাত্র ২.৬৭। পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়েও ছিলেন অনিশ্চয়তায়। সেই আসিফ এখন হার্ভার্ডে স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে পড়ছেন। আজকের পত্রিকার পডকাস্ট ‘সফল যা