সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুতিদের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩২ বার পঠিত হয়েছে

মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার সৌদি অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন সারি। তিনি দাবি করেন, তাদের সামরিক অভিযান পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে নয়; বরং সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে।

হুতিদের দাবি সত্য হলে, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান হারানোর সংখ্যা আরও বাড়ল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি এফ-১৫ স্ট্রাইক ইগল হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি বিমান নিজেদের পক্ষের গুলিতে এবং একটি ইরানি বাহিনীর হামলায় বিধ্বস্ত হয়।

সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে একটি সৌদি এফ-১৫ বিধ্বস্ত হয়ে দুই ক্রু নিহত হন। একই বছর জুলাইয়েও কিং খালিদ বিমানঘাঁটির কাছে প্রশিক্ষণের সময় একটি এফ-১৫ এসএ বিধ্বস্ত হয়ে দুই আরোহী নিহত হন।

এফ-১৫ এসএ হলো ম্যাকডোনেল ডগলাসের এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই আসনের একটি সংস্করণ। এটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং সৌদি বিমানবাহিনীর প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর একটি। সিঙ্গাপুরের এফ-১৫ এসজি ও দক্ষিণ কোরিয়ার এফ-১৫কে সংস্করণের বিভিন্ন প্রযুক্তি এতে যুক্ত হয়েছে বলে জানা যায়।

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ছাড়াও ইসরায়েল ও কাতারের বিমানবাহিনী স্ট্রাইক ইগল পরিচালনা করে।

ভেনেজুয়েলা থেকে জ্বালানি তেল কেনার চেষ্টা করতে গিয়ে পোল্যান্ডের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ‘অর্লেন’ (Orlen)-এর অন্তত ২৩ কোটি ডলার (প্রায় ২৫০ কোটি টাকা) লোকসান হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক।

উপসাগরীয় চারটি দেশে ইরানের হামলায় মার্কিন স্থাপনাগুলোর আনুমানিক ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ২৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের এক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা গতকাল মঙ্গলবার দাবি করেছেন, আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আসনটি কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তৃণমূল সেই দাবি খারিজ করে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো প্রস্তাব তারা দেয়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

বসতঘরের মেঝেতে ‘জেগে উঠল’ দুই কবর, জমজমাট ঝাড়ফুঁকের আসর

সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি হুতিদের

প্রকাশ: ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার সৌদি অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন সারি। তিনি দাবি করেন, তাদের সামরিক অভিযান পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে নয়; বরং সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে।

হুতিদের দাবি সত্য হলে, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান হারানোর সংখ্যা আরও বাড়ল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি এফ-১৫ স্ট্রাইক ইগল হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি বিমান নিজেদের পক্ষের গুলিতে এবং একটি ইরানি বাহিনীর হামলায় বিধ্বস্ত হয়।

সৌদি আরবের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে একটি সৌদি এফ-১৫ বিধ্বস্ত হয়ে দুই ক্রু নিহত হন। একই বছর জুলাইয়েও কিং খালিদ বিমানঘাঁটির কাছে প্রশিক্ষণের সময় একটি এফ-১৫ এসএ বিধ্বস্ত হয়ে দুই আরোহী নিহত হন।

এফ-১৫ এসএ হলো ম্যাকডোনেল ডগলাসের এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই আসনের একটি সংস্করণ। এটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং সৌদি বিমানবাহিনীর প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর একটি। সিঙ্গাপুরের এফ-১৫ এসজি ও দক্ষিণ কোরিয়ার এফ-১৫কে সংস্করণের বিভিন্ন প্রযুক্তি এতে যুক্ত হয়েছে বলে জানা যায়।

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ছাড়াও ইসরায়েল ও কাতারের বিমানবাহিনী স্ট্রাইক ইগল পরিচালনা করে।

ভেনেজুয়েলা থেকে জ্বালানি তেল কেনার চেষ্টা করতে গিয়ে পোল্যান্ডের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ‘অর্লেন’ (Orlen)-এর অন্তত ২৩ কোটি ডলার (প্রায় ২৫০ কোটি টাকা) লোকসান হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক।

উপসাগরীয় চারটি দেশে ইরানের হামলায় মার্কিন স্থাপনাগুলোর আনুমানিক ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ২৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের এক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা গতকাল মঙ্গলবার দাবি করেছেন, আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) আসনটি কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তৃণমূল সেই দাবি খারিজ করে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো প্রস্তাব তারা দেয়নি।