আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ৪৫ তম বিসিএস (পুলিশ) ও বিসিএস (আনসার) ক্যাডারে যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ব্রিফিং ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে।
নবীন ক্যাডার কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সুপিরিয়র সার্ভিসে আপনাদের প্রধানতম দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, প্রশাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বস্তি অনেকাংশে আপনাদের পেশাদারি কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে।’
তিনি চাকরি জীবনে সর্বদা কঠোর শৃঙ্খলা ও সার্ভিস রুলস মেনে চলা এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের আইনানুগ নির্দেশ প্রতিপালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
পুলিশ ও আনসার ক্যাডারের কাজের ধরন তুলে ধরে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এটি অন্যান্য সাধারণ ক্যাডারের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং প্রায়শই সংঘাতময় ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে কাজ করতে হয়।
তিনি বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে মুহূর্তের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যেখানে বুদ্ধিমত্তা ও উপস্থিত বুদ্ধি (প্রেজেন্স অব মাইন্ড) অত্যন্ত জরুরি।’
আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিচক্ষণতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্ষমতার কোনো ধরনের অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হতে দেওয়া যাবে না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আইজিপি (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে ৮০ জন এবং আনসার ক্যাডারে ২৫ জন কর্মকর্তা সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের পর আজ সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে ৬৫ জন এবং বিসিএস (আনসার) ক্যাডারে ১৯ জন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।

দৈনিক টার্গেট 




























