বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এবং জিম্মিদের স্বজনদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘অক্টোবর কাউন্সিল’ এই বিক্ষোভের আয়োজন করে। ওই হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে সংগঠনটি গড়ে উঠেছিল। হামাসের ওই হামলার পরই গাজায় যুদ্ধ শুরু হয়।
এই বিক্ষোভে বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদক জানিয়েছেন, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী কেন্দ্রীয় রাবিন স্কয়ার থেকে মিছিল নিয়ে হোস্টেজ স্কয়ারের দিকে এগিয়ে যান। সেখানেই মূল সমাবেশের আয়োজন করা হয়। গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে অতীতের সরকারবিরোধী বিক্ষোভগুলোরও অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল এই চত্বর।
সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ আগে ৬৮ বছর বয়সী হাদাস ফয়েরস্টেইন এএফপিকে বলেন, ‘গত চার বছর ধরে যাঁরা আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁরা এতটাই খারাপভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন যে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি, যেমন পরিস্থিতিতে এখন রয়েছে।’
সরকারপন্থী আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভে উসকানি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অক্টোবর কাউন্সিল। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্কও করেছে সংগঠনটি। এক্সে দেওয়া পোস্টে অক্টোবর কাউন্সিল জানায়, ‘আজ রাতের সমাবেশে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষের তৎপরতার খবর পাওয়ার পর আমরা পুলিশ কমিশনারের কাছে জরুরি চিঠি পাঠিয়েছি।’
৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতার তদন্তে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে ইসরায়েলের নাগরিক সমাজ ও বিরোধী দলগুলো বছরের পর বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শনিবারের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার ঘটনা তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি উঠলেও নেতানিয়াহুর সরকার তাতে রাজি হয়নি। অতীতে ইসরায়েলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বড় ধরনের ব্যর্থতা তদন্তের জন্য এ ধরনের স্বাধীন কমিশন গঠনের নজির রয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 



























